ফ্যাসিবাদ নিপাত যাক নতুন বাংলা’র আসছে ডাক
লেখক : অধ্যাপক ড. আব্দুল মালেক ভূঁইয়াপ্রকাশনী : প্রহেলিকা প্রকাশনপৃষ্ঠা : ৮০সংস্করণ : ১ম প্রকাশ, ২০২৫ভাষা : বাংলা ৫ আগষ্ট ‘২৪ ইং স্মরণে ১২/০৯/২০২৪ইং ————— ছিলাম নাকো বদ্ধ ঘরে, দেখছি আমি ঘুরে ঘুরে। কেমন করে মানুষ মারে, সামনা সামনি গুলি করে। কেমন করে হেলিকাপ্টারে, আকাশ থেকে গুলি ছুঁড়ে। ঘরের শিশুর লাগে মাথায়, সেই গুলিতেই প্রান হারায়। কেমন করে ছাত্র জনতা, আন্দোলনের এক বারতা। সবার কানে পৌঁছে দিলো, মনটা জয় করে নিলো। এই সরকারের নাই অধিকার, মসনদে আর বসে থাকার। সরকার ছিল খুবই শক্ত, আছে তার অনেক ভক্ত। ক্ষমতা সে ছাড়বে না, স্বৈরাচারের এক ভাবনা। আর্মি পুলিশ সবই তার, আরো আছে বিডিআর। পাশেই আছে মোদি সরকার, বন্ধু বটে কত আপনার। আদেশ দিল মানুষ মার, ধরতে পারলে জেলে ভর। পুলিশ তখন গুলি চালায়, আবু সাঈদ প্রান হারায়। বুক পেতে দেয় সবাই তখন, আসুক না সাধের মরন। রক্ত দিছি আরো দেব, নতুন করে স্বাধীন হবো। ভয় পেয়ে যায় প্রশাসন, কখন আসে তাদের মরন। হাসিনাকে পালাতে কয়, আসবে না আর আপনার জয়। শেখ হাসিনা বলতে চায়, সময় তখন শেষ প্রায়। বাঁচতে চাইলে এখনি পালান, বন্ধুর বাড়ি চলে যান। তাই না হলে যাবে প্রান, বললেন ডেকে আর্মি প্রধান। কাল বিলম্ব না করে, হেলিকাপ্টারে অমনি চড়ে। হেলিকাপ্টার আকাশে উড়ে, ছাত্র জনতার নজর কাড়ে। পালিয়ে যায় শেখ […]
Read More
লেখক : জালাল খান ইউসুফীপ্রকাশনী : কাব্যকথাপৃষ্ঠা : ৪৮সংস্করণ : ১ম প্রকাশ, ২০২৫আইএসবিএন : ৯৭৮৯৮৪৯৯৩৮২০০ভাষা : বাংলা জুলাই বিপ্লবকে কেন্দ্র করে লিখিত হয়েছে- ‘গণঅভুত্থানের পুঁথি’। এ পুঁথিতে কোটা আন্দোলন থেকে শুরু করে জুলাই বিপ্লবকে ঘিরে ঘটে যাওয়া সমস্ত ঘটনাবলিকে তুলে ধরা হয়েছে।৫ আগস্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর পালিয়ে যাওয়া পর্যন্ত ইতিহাস অবলম্বনে লেখা এ পুঁথি এক সময় ইাতিহাসের সাক্ষী হয়ে থাকবে। পাঠক পুঁথিটি পাঠ করলে কোটা আন্দোলন থেকে কীভাবে একদফা আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করা হয়েছিল, কারা নেতৃত্ব্ দিয়েছেন। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কী ভূমিকা ছিলো ইত্যাদি।
Read More
লেখক : কবি মুকলেছ উদ্দিনপ্রকাশনী : ঐকতান প্রকাশনপৃষ্ঠা : ৬৪সংস্করণ : ১ম প্রকাশ, ২০২৫ভাষা : বাংলা
Read More
ইন গড উই ট্রাস্ট
লেখক : জিয়াবুল ইবনপ্রকাশনী : লালপিঁপড়াপৃষ্ঠা : ৬৪সংস্করণ : ১ম প্রকাশ, ২০২৫ভাষা : বাংলাআইএসবিএন : ৯৭৮৯৮৪৯৯৯৩২২৩ অভ্যুত্থানের কবিতা কেমন হয়? শ্লোগানপ্রবণ। নান্দনিক। এন্টিকবিতা। নাকি অশ্লীল— হাংরি হাংরি ভাব। আবার অভ্যুত্থানের আগের কবিতার ধারায়ই কি চলতে থাকবে অভ্যুত্থানের পরের কবিতা? এসব প্রশ্নের উত্তরগুলো হয়ত উন্মোচিত হবে এই কবিতাসংকলনে। জুলাই অভ্যুত্থানের সময় একটা বিষয় পরিস্কার ছিল যে এই সময়ের কবিতাগুলো শোকে কালো হয় না। হয় লাল। ঠিক জুলাইয়ের আকাশের মতোই লাল। জিয়াবুল ইবন তো আরও অনেক আগেই বেছে নিয়েছে লাল সন্ত্রাস: সিরাজ সিকদারের আদর্শ। এই আদর্শের অবস্থান থেকেই কবি দেখেন ছাত্র-শ্রমিক-জনতার বুক ভেদ করা ঘাতক গুলির চালান আসে মূলত সেই গডের কাছে থেকেই, ডলারের বুকে যার নাম খোদাই করা: ইন গড উই ট্রাস্ট। —মমিন মানব
Read More
প্রকাশনী : প্রতিবিম্ব প্রকাশপৃষ্ঠা : ৬৪সংস্করণ : ১ম প্রকাশ, ২০২৫আইএসবিএন : ৯৭৮৯৮৪৯৯৬০১০২ভাষা : বাংলা
Read More
ছত্রিশ জুলাই মুক্তিমঞ্চ
লেখক : লোকমান আহমদপ্রকাশনী :মুক্তচিন্তাপৃষ্ঠা : ৮০সংস্করণ : ১ম প্রকাশ, ২০২৫ভাষা : বাংলাআইএসবিএন : ৯৭৮৯৮৪৮০৭৩০৮৭ বাংলাদেশে জগদ্দল পাথরের মতো ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত শাসন ক্ষমতায় চেপে বসে থাকা স্বৈরশাসককে হটানোর মরণপণ আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েন এদেশের অকুতোভয় সংগ্রামী ছাত্র-জনতা। সে আন্দোলন তুঙ্গে ওঠে জুলাইয়ে আর অবসান হয় ৫ই আগস্ট। এই অভূতপূর্বঐতিহাসিক বিপ্লব এর মহান বিজয় দিবসকে জুলাইয়ের সম্প্রসারিত দিন হিসেবে ‘ছত্রিশ জুলাই’ নামে অভিহিত করা হয় । কবি এই ঐতিহাসিক মহান দিনকে মুক্তির মঞ্চ বা মুক্তির পাদপীঠ হিসেবে অলঙ্কৃত করেছেন। এই কাব্যে ভয়ংকর রক্তপিপাসু স্বৈরশাসকের নিরীহ, নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার মহান আন্দোলনকে নিষ্ঠুর-নির্মম-বর্বর-পাশবিক পন্থায় খুন-জখমের মাধ্যমে দলন-দমনের চিত্র যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে অকুতোভয় ছাত্রজনতার গৌরবময় বিজয় গাথা। স্বৈরশাসক ক্ষমতাসীন থাকাকালীন কবি নির্ভয়ে এসব কবিতা লিখেছেন! জুলাইয়ে কারফিউ জারির পরে কেউ যখন সরকার বিরোধী কোনো লেখালেখি করেননি, তখনও দুঃসাহসে ভর করে কবি বন্ধু-বান্ধব, স্বজনদের শত সাবধানবাণী উপেক্ষা করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্বৈরাচারী রক্তপিপাসু খুনি সরকারের বিরুদ্ধে এসব কবিতা লিখে প্রতিদিন ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন!
Read More