জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সাক্ষ্য
লেখক : সাজ্জাদ শরিফপ্রকাশনী : প্রথমা প্রকাশন মুক্তিযুদ্ধ ছাড়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেয়ে বড় ঘটনা বাংলাদেশের ইতিহাসে আর নেই। এ অভ্যুত্থানের নায়ক তরুণ ছাত্রছাত্রী এবং সারা দেশের সর্বস্তরের জনতা। এই আন্দোলন চলেছে রক্তাক্ত রাজপথে। আর এর শক্তি ছিল তরুণদের নতুন সাংস্কৃতিক অভিব্যক্তির মধ্যে—স্লোগানে, কাটুর্নে, পোস্টারে, গান ও র‌্যাপে, গ্রাফিতিতে। নানা ক্ষেত্র থেকে রাজপথে ও সংস্কৃতির আঙিনায় যাঁরা এ আন্দোলনে যুক্ত হয়েছিলেন, এই বই তাঁদের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার সাক্ষ্য। এ সাক্ষ্য নির্বাচিত, কিন্তু প্রতিনিধিত্বমূলক। এ বই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক তৎপরতারও এক নথি। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে বোঝার জন্য এ বইয়ের প্রয়োজন কখনো ফুরাবে না।
Read More
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান নতুন পথে বাংলাদেশ
লেখক : আল মাসুদ হাসানউজ্জামানপ্রকাশনী : প্রথমা প্রকাশন ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ। অভ্যুত্থানটি এ দেশের নতুন পথচলায় অন্যতম প্রভাবক এবং প্রচলিত ব্যবস্থার পরিবর্তে এক নববাস্তবতার জায়গা নির্দেশ করে। এতে প্রতিফলিত হয়েছে সুষ্ঠু গণতন্ত্র চর্চা ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠাসহ সুশাসনের জন্য তরুণ প্রজন্ম এবং জনগণের তীব্র আকাঙ্ক্ষা। এ বইটিতে গণ-অভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিত, দেশে গণতন্ত্র চর্চার সংকট, আন্দোলনের কারণ ও প্রকৃতি, নেতৃত্ব, কৌশল, ছাত্রসমাজ ও রাজনৈতিক এবং বিভিন্ন সংগঠনের ভূমিকাসহ গণ-অভ্যুত্থানের বহুমাত্রিক প্রভাব ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হয়েছে। বইটি তথ্যসমৃদ্ধ এবং গভীরতর গবেষণায় খোরাক জোগাতে সক্ষম
Read More
১০০ শহীদের গল্প
লেখক : মোঃ মতিউর রহমানপ্রকাশনী : মিফতাহ প্রকাশনী বিপ্লব কখনো এমনি এমনি আসে না। প্রতিটি বিপ্লবের পেছনে থাকে বেদনার ইতিহাস, ত্যাগের কাহিনি এবং রক্তের সিঁড়ি বেয়ে এগিয়ে যাওয়া এক অদম্য সংগ্রাম। ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবও তেমনই এক অধ্যায়। প্রায় দুই হাজার শহীদের আত্মত্যাগ এবং ১৮ হাজারের বেশি আহত মানুষের নিঃস্বার্থ সংগ্রামের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি ফ্যাসিবাদ মুক্ত এক নতুন বাংলাদেশের সম্ভাবনা। কিন্তু আজ, মাত্র কয়েক মাস পর, আমরা কি সেই স্বপ্ন ভুলতে বসেছি? শহীদদের রক্ত আর আহতদের ত্যাগ কি আমাদের কাছে শুধুই অতীতের গল্প? এই বিপ্লবের আদর্শ এবং স্পিরিট আমাদের হৃদয়ে ধারণ না করলে সেই ইতিহাস ধীরে ধীরে মিলিয়ে যাবে। এই চিন্তা থেকেই জুলাই বিপ্লবে “১০০ শহিদের গল্প” রচনার প্রয়াস। এই বইয়ে আমি তুলে ধরার চেষ্টা করেছি সেই সব মর্মস্পর্শী ১০০ জন শহিদের বীরত্বগাথা, যারা আমাদের স্বাধীনতার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাদের কাহিনিগুলো আমাদের ভবিষ্যৎ গড়ার দিকনির্দেশনা। আমাদের দায়িত্ব শুধু এই গল্পগুলো সংরক্ষণ করা নয়, বরং তা ছড়িয়ে দেওয়া—পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া। কারণ, জাতি তার ইতিহাস ভুললে পথ হারায়। আশা করি, এই বই পাঠকদের অনুপ্রেরণা জোগাবে এবং আমাদের সেই আদর্শের প্রতি আরও একবার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে শেখাবে। – লেখক
Read More
আয়নাঘর তুমি ও আমি
লেখক : লে. কর্নেল মোঃ হাসিনুর রহমান বীর প্রতীকপ্রকাশনী : বিন্দু প্রকাশ
Read More
পনেরো সমন্বয়কের সাক্ষাৎকার
লেখক : মিনহাজুল ইসলাম জায়েদপ্রকাশনী : দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড(ইউ পি এল) জুলাই-আগস্ট ২০২৪-এর অভ্যুত্থানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ছিল প্রতিরোধের অন্যতম স্তম্ভ। তাদের প্রবল ঐক্যের মুখে বারংবার ব্যর্থ হয়েছে পুলিশ বিডিআর-র‍্যাব-ছাত্রলীগের বহুমুখী আক্রমন। কিন্তু এই শিক্ষার্থীরা আন্দোলনটি কীভাবে পরিচালনা করেছেন? কারা ছিলেন তাদের সংগঠক? অরাজনৈতিক বলে পরিচিত এই প্রজন্মের মাঝে রাজনৈতিক চেতনার বীজ কীভাবে অঙ্কুরিত হলো? আতঙ্কের সেই দিনগুলোতে তারা কীভাবে ঐক্য ধরে রেখেছেন? তাদের অতীত কী? ভবিষ্যত নিয়ে তারা কী ভাবছেন? জুলাই-আগস্টের ঘটনাবলি শুধু স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা নয় বরং বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বিপ্লব ও গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসে একটি অসাধারণ সংযোজন। ফ্যাসিবাদী সরকার ও তার সকল রাষ্ট্রীয় কলকব্জার বিরুদ্ধে কীভাবে এই আন্দোলনটি গড়ে উঠলো, কীভাবে মরিয়া প্রতিরোধ গড়ে উঠলো, সেই অনুসন্ধানের, একটি প্রয়াস এই সাক্ষাৎকারের সংকলনটি। বৈষম্যবিরোধী সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পনেরোজন সমন্বয়কের নিজের মুখ থেকেই এমনি আরও অজস্র প্রশ্নের উত্তর আমরা এই গ্রন্থে শুনব। চলমান বাংলাদেশকে যারা বুঝতে চান, শুধু তাদের জন্যই নয়, ভবিষ্যতের ইতিহাসবিদ-সমাজবিজ্ঞানী-অর্থনীতিবিদ ও ভাবুকদের জন্য এই সাক্ষাৎকারের সংকলনটি একটি মূল্যবান দলিল হিসেবে বিবেচিত হবে।
Read More
অন্তর্বর্তী ভাবনা
লেখক : সারোয়ার তুষারপ্রকাশনী : গ্রন্থিক প্রকাশন ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান: অন্তর্বর্তী ভাবনা বইটির অধিকাংশ নিবন্ধ আগস্ট পরবর্তী সময়ে লেখা। নিবন্ধগুলোতে সমসাময়িক বিতর্কের পরিষ্কার ছাপ রয়েছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংস্কারের অভিমুখ নির্ধারণ করার দিকেই আমার প্রধান মনোযোগ ছিল। সরকার, রাষ্ট্র, জনগণ, সংবিধান, নির্বাচন, গণপরিষদ ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ এ বইয়ে আলোচিত হয়েছে। স্বৈরাচারের পতন ঘটলেও কেন বাংলাদেশে স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা থেকে যায়, এই প্রশ্ন ছিল আমার অন্যতম কেন্দ্রীয় অনুসন্ধানের বিষয়। এই অনুসন্ধান করতে গিয়ে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার পশ্চাদপদ ও গণবিরোধী ধারণার সমালোচনা করতে হয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের পর নির্বাচিত গণপরিষদের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সংবিধান প্রণয়ন করাই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র কায়েমের ধ্রুপদী পথ। অথচ দেখা যাচ্ছে, সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার নামে গণঅভ্যুত্থানকে নিছক রেজিম পরিবর্তনে সংকুচিত করা হচ্ছে। গণঅভ্যুত্থানের মতো বিরাট ঐতিহাসিক বাঁকবদলের মুহূর্তকে স্রেফ ক্ষমতার হাতবদলের মধ্য দিয়ে ছেঁটে ফেলা নব্বইয়ের তিন জোটের রূপরেখার অন্যতম প্রধান সীমাবদ্ধতা ছিল। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানকে এই ভুল থেকে রক্ষা করতে হবে। সর্বিক পরিস্থিতি বিচারে বর্তমানে রাজনীতিতে দুটি প্যারাডাইম লক্ষ্য করা যাচ্ছে। একদিকে জুলাইয়ের ‘গণঅভ্যুত্থান প্যারাডাইম’, অন্যদিকে জানুয়ারির ‘রেজিম পরিবর্তন প্যারাডাইম’। বিদ্যমান ব্যবস্থা টিকিয়ে রেখে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর তথা জানুয়ারি প্যারাডাইম ব্যর্থ হওয়ার পর জুলাই প্যারাডাইম হাজির ও সফল হয়। কিন্তু রাষ্ট্রপতির অপসারণ প্রশ্ন সামনে আসার পর দেখা গেল, গণঅভ্যুত্থানকে স্রেফ ক্ষমতার হাত বদলে সংকুচিত করার তৎপরতার মাধ্যমে জানুয়ারি প্যারাডাইম শক্তি সঞ্চয় করতে চাইছে।গণঅভ্যুত্থানের […]
Read More