বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ (সম্পাদক)প্রকাশনী : দাঁড়িকমা প্রকাশনীপৃষ্ঠা : ১২৮সংস্করণ : ১ম প্রকাশ, ২০২৫ভাষা : বাংলা বাংলাদেশ কোটা সংস্কারের লক্ষ্যে ১ জুলাই ২০২৪ তারিখে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ এর যাত্রা শুরু হয়। সংগঠনটি থেকে শিক্ষার্থীরা লাগাতার কর্মসূচি দেয়। দাবি না মেনে নিয়ে ১৪ জুলাই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার এক বক্তব্যে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকারের নাতি-পুতি’ হিসেবে অভিহিত করলে এ আন্দোলন তীব্র হয়। এরপর সরকারের নির্দেশে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের উপর চালানো হয় অমানবিক নির্যাতন, গণগ্রেপ্তার, হামলা, মামলা, গুম এবং নির্বিচারে হত্যা। আন্দোলনে প্রাণহানিকে ‘জুলাই গণহত্যা’ আখ্যা দিয়ে নয় দফা দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রাখে ছাত্রজনতা। জুলাই জুড়ে আন্দোলন চলেছে, আন্দোলনের মাঝে উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে প্রাণ গিয়েছে বহু শিক্ষার্থীর। সেই কারণেই আগস্ট শুরু হলেও, নিজেদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আগস্ট মাসের দিনগুলোকেও জুলাই হিসেবে গণনা করেন বিক্ষোভকারীরা। তারপর গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে এবং বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেয়। আন্দোলনের সফলতাকে আন্দোলনকারীরা ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা’ এবং এই দিনটিকে ‘৩৬ জুলাই’ হিসেবে স্বীকৃতি দেন। ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ’ এর উদ্যোগে এবং দাঁড়িকমা প্রকাশনীর বিশেষ প্রকাশনায় রক্তক্ষয়ী সেই বিপ্লব ও বিজয়ের কবিতা সংকলন ‘৩৬ জুলাই’। ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ এই স্মারক গ্রন্থটিতে স্থান পেয়েছে আন্দোলনের স্লোগান, স্লোগানের ইতিহাস, কবিদের কবিতা এবং সমন্বয়কদের মূল্যবান মতামত ও অনুভূতি।
Read More
লেখক : আনোয়ার শাহজাহানপ্রকাশনী : কলি প্রকাশনীপৃষ্ঠা : 240, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : ১ম প্রকাশ, ২০২৫আইএসবিএন : 9789843959003, ভাষা : বাংলা ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের একটানা দেড় দশকের রাজনৈতিক শাসন ক্ষমতার অবসান ঘটে। এরপর নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। তাঁরা ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার পর পরই দেশে নানা রকমের পরিবর্তন সূচিত হতে থাকে। আন্দোলনের সূত্রপাত ৫ জুন ২০২৪ থেকে শুরু করে ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের পতন এবং পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নানা রকম সিদ্ধান্ত, সংস্কার, পরিবর্তন ও ঘটনার বিবরণ তারিখ ও তথ্যসূত্রসহ তুলে ধরা হলো।
Read More
লেখক : মাহথির বিন খালেদপ্রকাশনী : ঘাসফুলপৃষ্ঠা : ১১২সংস্করণ : ১ম প্রকাশ, ২০২৫ভাষা : বাংলা আকাশে বাতাসে এখন বারুদের গন্ধ। কিছুক্ষণ পরপর গুলির আওয়াজ। মানুষের আর্তনাদে বাতাসটা যেন ভারি হয়ে এসেছে। স্বৈরাচারের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে গেছে অনেক শিশুর বুক। তবে ভয় পেয়ে মানুষ থেমে থাকেনি, একজন মরলে আরো দশজন দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। এখন ঘরেও মানুষ নিরাপদ নেই। জুলাইয়ের সেই মর্মান্তিক দিনগুলোকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ‘বুলডোজার’ বইটিতে। ’৭১ দেখিনি, দেখেছি ’২৪! আইয়ুব, টিক্কা, ইয়াহিয়াকে দেখিনি, দেখেছি হাসিনা ও তার দোসরদের! অনেক বছরের আবর্জনা যেভাবে বুলডোজার-এর সাহায্যে ধ্বংস করা হয়, তেমনি ষোলো বছরের স্বৈরাচারের গড়া আবর্জনাকে ধ্বংস করতে গড়ে উঠেছিল ছাত্র জনতা। যাকে রূপকর্থে বলা হচ্ছে বুলডোজার। তাই বইটির নাম রাখা হয়েছে ‘বুলডোজার’।
Read More