জুলাই বিপ্লবের নির্ভীক সেনানী
লেখক : মুসাফির ম.ত. ইসলামপ্রকাশনী : স্ব উদ্যোগে প্রকাশিতপৃষ্ঠা : ৪৮সংস্করণ : ১ম প্রকাশ, ২০২৫ভাষা : বাংলা জুলাইয়ের বিপ্লব বিশ্ব ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় স্মৃতি। ছাত্র জনতা বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে দ্বিতীয় স্বাধীনতা এসেছে লাল সবুজের বাংলাদেশে যাদের আম্তত্যােগে আপামর জনতার বাংলাদেশ আমার অনুভূতি তাদেরকে জানাই লাল স্যালুট
Read More
নাটক সাঙ্গ
লেখক : ফয়সাল বার্কপ্রকাশনী : স্ব উদ্যোগে প্রকাশিতপৃষ্ঠা : ২০সংস্করণ : ১ম প্রকাশ, ২০২৫ভাষা : বাংলা
Read More
রক্তাক্ত জুলাই ২০২৪
লেখক : মোঃ ইব্রাহিম হোসেন (সম্পাদক)প্রকাশনী : বৃত্তকলা একাডেমিপৃষ্ঠা : ৯৬সংস্করণ : ১ম প্রকাশ, ২০২৫ভাষা : বাংলা
Read More
জুলাই বিপ্লবের রক্তাক্ত দিনগুলো
লেখক : মুহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাতপ্রকাশনী : সাগরিকা প্রকাশনীপৃষ্ঠা : ৮০সংস্করণ : ১ম প্রকাশ, ২০২৫ভাষা : বাংলা বই সম্পর্কে কিছু কথা জুলাই বিপ্লবের সংগ্রামী দিনগুলোকে স্মৃতির পাতায় চিরস্মরণীয় করে রাখতে এই বই লিখার সূচনা। বইটিতে স্থান পেয়েছে চব্বিশের জুলাই আগস্টে ঘটে যাওয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে কোটা বিরোধী আন্দোলনের সংগ্রামী দিনগুলোর একচ্ছত্র বর্ণনা। রক্তপিপাসু হায়েনারা যেভাবে আবু সাঈদ, মীর মুগ্ধদের প্রাণ কেড়ে নিয়েছিল তাঁরও বর্ণনা রয়েছে বইয়ের মাঝামাঝি অংশে। আন্দোলনকে ঠেকানোর যত ধরণের নীল নকশার চক তৈরি করা হয়েছিল সেগুলোর আলোচনাও বাদ যায় নি বইয়ের পাতায় পাতায় । দল, মত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনা রক্তপাতে অর্জিত হয়েছে বিজয় ২.০ । বইটিতে ৪ঠা জুলাই থেকে ৫ই আগস্ট পর্যন্ত ইবিতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি পালনকালে ঘটে যাওয়া সকল ঘটনা সুচারুরুপে সন্নিবেশিত হয়েছে। হামলা, মামলা, গ্রেফতার, কারফিউ কোনো কিছুই যেন এই আন্দোলনকে দমাতে পারে নি তাঁর চমৎকার আলোচনা উপস্থাপন করা হয়েছে বইয়ের শেষের অংশে। পরিশেষে, ৫ই আগস্টের ঐতিহাসিক ছাত্রজনতার বিজয় অর্জিত হওয়ার বীরত্ব গাঁথা গল্পগুলোর কথা বইয়ের কালো হরফে লেখা হয়েছে। বইটি পাঠকদেরকে জুলাই বিপ্লবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা ও আন্দোলনের সংগ্রামী দিনগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে ইনশাআল্লাহ।]
Read More
জুলাই বিপ্লবের দিনলিপি
লেখক : মুনতাসির বিল্লাহপ্রকাশনী : কেন্দ্রবিন্দুপৃষ্ঠা : ১৭৬সংস্করণ : ১ম প্রকাশ, ২০২৫আইএসবিএন : ৯৭৮৯৮৪৯৯৬৩৭১৪ভাষা : বাংলা একদিকে ছোট্ট মেয়ে দুআর বাবাকে কাছে পাওয়ার আগ্রহ আতিশয্যে মর্মস্পর্শী চাহনি, প্রিয়তমার অশ্রুসজল চোখ, শত কিলোমিটার দূর থেকে মমতাময়ী মায়ের সতর্কবাণী অথবা দরদের সুরে পথ আটকানো; বারণ, অপরদিকে অপরিচিত নাম্বার থেকে একের পর এক সতর্কবার্তা, সবিশেষ ঝাঁঝালো গলার কঠিন হুঁশিয়ারি—আর বের হয়ো না, মরে ঝরে পড়ে থাকতে হবে— সবকিছুকে উপেক্ষা করে স্বৈরাচারকে তার শেষ হিসেব চুকিয়ে দেওয়া অথবা দেশরক্ষার তাগিদে মৃত্যুকে আরও কাছে থেকে দেখে আসার শক্তপোক্ত এরাদায় রোজ রোজ বের হচ্ছেন লেখক; জানের মায়া নেই, প্রাণের নিশ্চয়তা নেই কোনো। জুলাই বিপ্লবে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোর মধ্যে যাত্রাবাড়ী থানা, শনির আখড়া, রায়েরবাগ, কুতুবখালির ফ্লাইওভার; এই জায়গাগুলোতেই কখনো টিয়ারগ্যাসের মুখে দাঁড়িয়ে, গ্রেনেড ব্রাস্টে গা ঝলসানোর মুহূর্ত, কখনো-বা সম্মুখযুদ্ধে বুলেটের সামনে বুক টান করে দাঁড়িয়ে থাকার কথা তুলে এনেছেন লেখক। আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ী থেকে পায়ে হেঁটে এগিয়ে চলেছেন তিনি। পায়ে লেপটে আছে অপরিচিত কোনো বিপ্লবীর রক্তে ভেজা গামছা। চোখের সামনে ধোঁয়া ওঠা খাবারের বাটি। বাঁধহীন রক্তের স্রোতে অবশ হয়ে আসছে লেখকের পা, তবুও হাঁটছেন তিনি; আঙুলের ডগা হয়ে গড়িয়ে পড়ছে রক্তের ধারা। গুলি-বুলেটের আকাশ ফাটানো আওয়াজ অথবা সন্তানহারা মায়ের মর্মভেদী আর্তনাদ; অভ্যুত্থানের এই ৩৬ দিন স্বচক্ষে দেখে এসেছেন তিনি। মুনতাসির বিল্লাহ ভাইয়ের গদ্য ঝরঝরে। উপমায় থাকে নান্দনিকতার […]
Read More
৩৬ জুলাই
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ (সম্পাদক)প্রকাশনী : দাঁড়িকমা প্রকাশনীপৃষ্ঠা : ১২৮সংস্করণ : ১ম প্রকাশ, ২০২৫ভাষা : বাংলা বাংলাদেশ কোটা সংস্কারের লক্ষ্যে ১ জুলাই ২০২৪ তারিখে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ এর যাত্রা শুরু হয়। সংগঠনটি থেকে শিক্ষার্থীরা লাগাতার কর্মসূচি দেয়। দাবি না মেনে নিয়ে ১৪ জুলাই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার এক বক্তব্যে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকারের নাতি-পুতি’ হিসেবে অভিহিত করলে এ আন্দোলন তীব্র হয়। এরপর সরকারের নির্দেশে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের উপর চালানো হয় অমানবিক নির্যাতন, গণগ্রেপ্তার, হামলা, মামলা, গুম এবং নির্বিচারে হত্যা। আন্দোলনে প্রাণহানিকে ‘জুলাই গণহত্যা’ আখ্যা দিয়ে নয় দফা দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রাখে ছাত্রজনতা। জুলাই জুড়ে আন্দোলন চলেছে, আন্দোলনের মাঝে উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে প্রাণ গিয়েছে বহু শিক্ষার্থীর। সেই কারণেই আগস্ট শুরু হলেও, নিজেদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আগস্ট মাসের দিনগুলোকেও জুলাই হিসেবে গণনা করেন বিক্ষোভকারীরা। তারপর গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে এবং বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেয়। আন্দোলনের সফলতাকে আন্দোলনকারীরা ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা’ এবং এই দিনটিকে ‘৩৬ জুলাই’ হিসেবে স্বীকৃতি দেন। ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ’ এর উদ্যোগে এবং দাঁড়িকমা প্রকাশনীর বিশেষ প্রকাশনায় রক্তক্ষয়ী সেই বিপ্লব ও বিজয়ের কবিতা সংকলন ‘৩৬ জুলাই’। ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ এই স্মারক গ্রন্থটিতে স্থান পেয়েছে আন্দোলনের স্লোগান, স্লোগানের ইতিহাস, কবিদের কবিতা এবং সমন্বয়কদের মূল্যবান মতামত ও অনুভূতি।
Read More